|

রানা প্লাজা গার্মেন্ট বিষয়ে কানাডা্র সংসদে বিল উত্তাপন

1476104_10151772165068247_1745368910_nএম পি মেথিউ কেলওয়ে সংসদে বাংলাদেশে অগ্নি এবং নির্মাণের নিরাপত্তার ব্যাপারে সমঝোতার সমর্থন করতে সংসদকে আহ্বান করেছেন

অটাওয়া – বিচেস-ইস্ট ইর্য়ক এম পি মেথিউ কেলওয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে আজ হাউস অব কমন্সে গৃহিত প্রণোদনের মাধ্যমে বাংলাদেশে অগ্নি এবং নির্মাণের নিরাপত্তার ব্যাপারে সমঝোতা সমর্থন করতে আহ্বান করেছেন৷

কেলওয়ে বলেন, “তারা যেখানেই কাজ করেন না কেন, এটা সকল শ্রমিকের মৌলিক অধিকার যে নিজের নিরাপত্তার ভয় না করে তারা কাজে যেতে পারেন৷ বাংলাদেশে অগ্নি এবং নির্মাণের নিরাপত্তা বাংলাদেশের শ্রমিকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করার একটি তাৎপর্যপূর্ণ প্রথম পদক্ষেপের প্রতীক, এবং এটা গুরুত্বপূর্ণ যে কানাডা এটার সমর্থনে একটি বলিষ্ঠ বাণী প্রেরণ করে৷”

গত কিছু বছরে বাংলাদেশব্যাপী কর্মস্থলে ভয়াবহ দুর্ঘটনার ধারাবাহিকতা সেই দেশের গার্মেন্ট শিল্পে বিপজ্জনক শ্রম-আচরণের প্রতি পৃথিবীর দৃষ্টি আকর্ষিত হয়েছে৷ ২০১৩-র এপ্রিলে ঢাকার বাইরে যখন রানা প্লাজা গার্মেন্ট কারখানা ধষে পড়ে, তখন ১,১০০-ও অধিক বাংলাদেশী মৃত্যুবরণ করেন এবং আরো হাজারেরও অধিক আহত হন৷ এই দুর্ঘটনার পরিপ্রেক্ষীতে বাংলাদেশী এবং আন্তর্জাতিক ট্রেড ইউনিয়নসমূহ অগ্নি এবং নির্মাণের নিরাপত্তার সমঝোতা প্রবর্তন করার উদ্দেশ্যে একত্রিত হন, যাহা গার্মেন্ট শিল্পে শ্রমঅধিকার উন্নত কারার লক্ষ্যে খুচরা বিক্রেতাদের সাথে একটি বাধ্যতামূলক চুক্তি৷ এই পর্যন্ত এইচ এ্যান্ড এম, বেনেটন এবং আমেরিকান ঈগল সহ ১০০-র অধিক আন্তর্জাতিক ব্যবসায়-প্রতিষ্ঠান এই সমঝোতার স্বাক্ষরদাতা হয়েছেন৷ তবে, একমাত্র যে কানাডীয় কোম্পানী যা এটাতে স্বাক্ষর করেছে সেটা হচ্ছে লবলও, যা তাদের বৈশিষ্টসূচক জো ফ্রেশ লেবেলে বস্ত্র বিক্রয় করে৷

কেলওয়ে, যার প্রণোদন সরকারকে অনুরোধ জানায় কানাডীয় কোম্পানীসমূহকে এই সমঝোতায় স্বাক্ষর করতে অনুপ্রাণিত করতে, বলেন, “কানাডীয় ভোগ্যপণ্যের ব্যবহারকারীরা চান না যে তাদের বস্ত্র বিপজ্জনক অনুপযুক্ত কারখানায় তৈরী হোক, কিন্তু আমাদের কোম্পানীসমূহ এই বার্তা পেতে বিলম্ব করছেন – এবং এখানে আমাদের কিছু নেতৃত্ব প্রদর্শন করা প্রয়োজন৷ আমাদের সরকারকে বাংলাদেশের শ্রমিকদের সাথে একাত্বতা প্রদর্শন করার এই গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ উপস্থাপন করা একটি সম্মানের বিষয়৷”

মে ২০১১ সালে এম পি মেথিউ কেলওয়ে বিচেস-ইস্ট ইর্য়ক কেন্দ্রীয় নির্বান এলাকা হতে রাষ্ট্রীয় কার্যালয়ে নির্বাচিত হন। বর্তমানে তিনি কানাডা-বাংলাদেশ সংসদীয় মৈত্রী গোষ্ঠীর প্রধান, যাহা এই দুই দেশের মধ্যকার চলমান সংলাপ এবং সংসদীয় সম্পর্ক সমর্থন করে।
কানাডায় বাংলাদেশী জনসংখ্যার সর্ববৃহত অংশ বিচেস-ইস্ট ইর্য়ক এলাকায় বসবাস করেন এবং ক্রিসেন্ট টাউন অঞ্চলে তারা কেন্দ্রিভূত।

সময়ের কথায় প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

মন্তব্য করুন





টুইটারে আমরা

পূর্বের সংখ্যা