|

সামাজিক অসঙ্গতি ও লালন ফকিরের কথার চাবুক

সৈয়দ জাহিদ হাসান: আজ পহেলা কার্তিক, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ। মহাত্মা লালন শাহ ফকিরের ১৩৭তম তিরোধান দিবস। আজ লালন সমাধি প্রাঙ্গণে লক্ষ লক্ষ মানুষের আগমন ঘটবে, বর্ণিল আলোকসজ্জায় সজ্জিত হবে কালিগঙ্গা নদীর তীরবর্তী ছেঁউড়িয়ার লালনধাম। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লালন-অনুসারীরা ছুটে এসে লালন সাঁইকে শ্রদ্ধা জানাবেন। তাঁর সঙ্গীত ও দর্শন নিয়ে আলোচনা করবেন। তাদের আলোচনায় আমজনতা আলোকিত হবেন। ধীরে ধীরে গড়ে উঠবে একটি সুসংহত, অসাম্প্রদায়িক সমাজব্যবস্থা। বিশ্বে আজ শান্তির ভীষণ অভাব। গোষ্ঠীগত চেতনা মানুষকে উগ্র ও হিংস্র করে তুলেছে। মানুষের এই হিংস্রস্বভাব ত্যাগ করতে হবে। হানাহানি, মারামারি বন্ধ করতে হবে। ‘মানুষতত্ত্ব’ অর্থাৎ ‘সবার উপরে মানুষ সত্য’ এ কথা জোরগলায় প্রচার করতে হবে। পারমাণবিক শক্তি নয়, প্রেম শক্তিতে বলীয়ান হওয়াই মানুষের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হওয়া উচিত।

লালন শাহ ফকির (১৭৭৪-১৮৯০) বাউল ছিলেন। বাউল মূলত বস্তুবাদী। বস্তুতেই তারা জীবনের মাহাত্ম্য খোঁজে। বাউল বস্তুবাদী বলেই মানুষের প্রতি তাদের আকর্ষণ প্রবল। মানুষের সুখ-দুঃখ-জরা-মৃত্যু বাউলকে সব সময় আলোড়িত ও বিচলিত করে। লালন শাহ দেহবাদী সাধক ছিলেন। তাঁর রচিত গানে দেহবাদী সাধননির্ভর কথা বেশি থাকলেও তার অসংখ্য গান আছে যেসব গানে তিনি কাক্সিক্ষত সমাজব্যবস্থার রেখাচিত্রধর্মী কাঠামো দাঁড় করাবার চেষ্টা করেছেন। পৃথিবীর অন্যান্য শান্তিকামী শিল্পীর মতো একটি নান্দনিক আবেগের জায়গা থেকেই লালন শাহ তার সমাজদর্শন দাঁড় করানোর যে প্রচেষ্টা দেখিয়েছেন তা প্রশংসার যোগ্য।

লালন শাহের সঙ্গীতে তৎকালীন সমাজের অর্থনৈতিক কর্মকা-ের খুব একটা বিবরণ পাওয়া যায় না। অর্থনৈতিক সংকটকে প্রাধান্য না দিয়ে তিনি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিয়েছেন জাত-পাত আর সাম্প্রদায়িক সমস্যাকে। ব্রিটিশশাসিত ভারতবর্ষে অনেক রকমের সংকটের মধ্যে ভারতবাসীর জীবনমান আবর্তিত হলেও লালন মূলত ব্যস্ত ছিলেন মানুষের আত্মিক ও মানসিক সংকট সমাধানে। কেন লালন শাহ মানুষের অর্থনৈতিক বা মৌলিক অধিকারের বিষয়গুলো এড়িয়ে গিয়ে কেবল মনোলোকে দৃষ্টি নিবদ্ধ রেখেছিলেন তার প্রধান দুটি কারণ এই হতে পারেÑ (১) ব্যক্তিগতভাবে তিনি ধর্মদ্বারা নির্যাতিত ও সমাজচ্যুত ছিলেন, (২) ভৌগোলিক কারণে তিনি ছিলেন চৈতন্যপ্রবর্তিত প্রেমধর্মে উদ্বোধিত। এছাড়া উনিশ শতকে আরো যারা বাংলার সমাজ সংস্কারক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন, রাজা রামমোহন রায় (১৭৭২-১৮৩৩), মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮১৭-১৯০৫), অক্ষয় কুমার দত্ত (১৮২০-১৮৮৬), ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০-১৮৯১), রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব (১৮৩৬-১৮৮৬) প্রমুখের মতো লালন শাহও সামাজিক ও নৈতিক চরিত্র উন্নয়নেই বেশি মনোযোগী ছিলেন।

এ প্রসঙ্গে উনিশ শতকের তৃতীয় দশকে প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন সভা, সমিতি, ক্লাব, সোসাইটির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য যদি আমরা মনোযোগ দিয়ে পাঠ করি, তাহলেও দেখবো লালন শাহ যে সময়ে সঙ্গীত রচনা করতে শুরু করেছেন সে সময় কেবল বাঙালির আত্মানুসন্ধানই শুরু হয়েছে। বাঙালি তখন তার শেকড় খুঁজতে ব্যস্ত এবং সেই শেকড় খোঁজা মানে অবশ্যই ধর্ম ও শাস্ত্র নিয়ে গভীর আলোচনা ও সমালোচনা। এখানে বহুল পরিচিত তত্ত্ববোধিনী সভা’র কিঞ্চিৎ পরিচয় দিলে বোধহয় মন্দ হয় না। বিনয় ঘোষ তাঁর ‘বাংলার বিদ্বৎসমাজ’ গ্রন্থে লিখেছেন, “জ্ঞানোপার্জিকা সভা’ প্রতিষ্ঠার বছর দেড়েকের মধ্যে ‘তত্ত্ববোধিনী সভা’ দ্বারকানাথ ঠাকুরের জোড়াসাঁকোর বাড়িতে প্রতিষ্ঠিত হয় (৬ অক্টোবর, ১৮৩৯)। প্রথমে নাম ছিল ‘তত্ত্বরঞ্জিনী সভা’, পরে পতি রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশের পরামর্শে ‘তত্ত্ববোধিনী সভা’ নাম হয়। সভার প্রতিষ্ঠাতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। দেবেন্দ্রনাথের ভাষায়, এই সভার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল : ‘আমাদিগের সমুদায় শাস্ত্রের নিগূঢ় তত্ত্ব ও বেদান্ত প্রতিপাদ্য ব্রহ্মবিদ্যার প্রচার।”

অবশ্য কলকাতায় বিভিন্ন বিদ্বৎজন যে সব সভা-সমিতি করেছেন তাদের উদ্দেশ্যের অন্যতম ছিল, খ্রিস্টান ধর্মের হাত থেকে সনাতন ধর্মের পবিত্রতা রক্ষা করা, হিন্দু যুবকদের উচ্ছৃঙ্খল জীবন থেকে সনাতনী জীবনে ফিরিয়ে নেওয়া। বিনয় ঘোষের গ্রন্থ থেকে আরো একটি উদ্ধৃতি দিই, “১৯৩০ সাল থেকে বাংলার সামাজিক জীবনে যে পরিবর্তন হতে থাকে, ইংরেজি শিক্ষিত বাঙালির নৈতিক জীবনে যে ভাঙন ধরে, রামমোহন রায় জীবিত থাকলে হয়ত তার অসংযত উদ্দামতা ও উচ্ছৃঙ্খলতার দিকটাকে কিছুটা সংযত করার চেষ্টা করতেন, যে সমস্যা সবচেয়ে ভয়াবহ রূপে প্রকট হয়ে উঠলো, তা হলো কৃষ্ণমোহনের মতো বাংলার প্রতিভাবান যুবকদের খ্রীষ্টধর্মে দীক্ষা গ্রহণের সমস্যা।”

১৮৩০ সালে লালন শাহের বয়স তখন আনুমানিক ৫৬ বছর। যদি দুদ্দু শাহের (১৮৪২-১৯১১) রচিত লালন জীবনীকে সত্য বলে মানি তাহলে দেখা যায় লালন শাহের বয়স ছাব্বিশ বছর পূর্ণ হয় ১৮০০ সালে। ছাব্বিশে লালন দীক্ষিত ছিলেন এবং তীর্থযাত্রায় বেড়িয়ে পড়েন। ১৮৩০ সালে নিশ্চয়ই তিনি সঙ্গীত রচনার মধ্য গগনে। যেহেতু লালন ফকিরের কোনো গানেই সন-তারিখ উল্লেখ নেই, তাই অনুমান ছাড়া সঠিকভাবে তথ্য পরিবেশন প্রায় অসম্ভব।

একটি বিষয় লক্ষ্য করলে দেখা যাবে যে, কলকাতার নব্যজমিদার বা ধনাঢ্য ব্যক্তিবর্গ যেসব সভা, সমিতি, ক্লাব প্রতিষ্ঠা করেন সেসব সভা-সমিতি ব্রাহ্মধর্ম বা রক্ষণশীল সনাতন ধর্মের বিষয়গুলোতেই গুরুত্ব দেওয়া হতো। সেখানে সর্বধর্ম সমন্বয় ঘটিয়ে একটি অখ- মানবসমাজ প্রতিষ্ঠার কোনো প্রচেষ্টা লক্ষ্য করা যায় না। এ ক্ষেত্রে লালন শাহের যাত্রাপথ একেবারেই ভিন্ন মুখে। তিনি ধরলেন ধর্ম-সাম্যের গান। কেন লালন শাহ সর্বধর্ম সমন্বয় করার চেষ্টা করেছেন তারও একটা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট আছে। হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানসহ অনেক জাতির বাস এই ভারতবর্ষে। এখানে প্রতিটি ধর্মই অন্য কোনো ধর্ম দ্বারা কমবেশি প্রভাবিত হয়েছে। এই প্রভাব নানা কারণে লক্ষ্য করা যায়। তাই এখানে একদল প-িত-কবি-ধর্মসংস্কারক যখন রক্ষণশীলতার বাণী প্রচার করেছেন, আরেকদল সঙ্গে সঙ্গে সাম্যের বাণী নিয়ে ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে সব মানুষের ঘরে পৌঁছে গেছেন। শৈলেশকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় তার ‘দাঙ্গার ইতিহাস’ গ্রন্থে লিখেছেন, “বেদ উপনিষদ ভিত্তিক হিন্দু ধর্মের বাইরে রামানুজ, নিম্বার্ক, মাধ্বাচার্য, বল্লভাচার্য, চৈতন্য ও শঙ্করদেব প্রমুখের দ্বারা প্রবর্তিত হিন্দু ধর্মের যে ভক্তিবাদী রূপ, তার পিছনেও মরমীয়া সুফীদের প্রভাব বিদ্যমান, লৌকিক স্তরে সাধারণ মানুষদের ভিতর থেকেও একদল ভক্তিবাদী সন্ত-সাধকদের আবির্ভাব ঘটে। এরা হলেন কবীর, রবিদাস, তুকারাম, ধর্মদাস, নামদেব, নানক, দাদূ, রজ্জব, সুন্দরদাস, তিরুবল্লভ, রামানন্দ ও একনাথ প্রভৃতি। পূর্বোক্ত সন্তদের অনেকেরই হিন্দু-মুসলমান-উভয় সম্প্রদায়ের শিষ্য ছিল।” লালন শাহ কবীর, রজ্জব, দাদূর সমগোত্রীয় ছিলেন। লালনের গানেও এসব সন্তদের নাম দেখা যায়।

আপন মনের গুণে সকলই হয়। / পিড়েয় পায় পেড়োর খবর, কে দূরে যায়। / নামটি রামদাস বলে / জাতি সে মুচির ছেলে / গঙ্গাকে আনলো হরে / চাম কাঠুরায়॥ / ভক্ত সে জোলা কবীর / উড়িষ্যায় তাহার জাহির / ছত্রিশ জাত তারই বাড়ি / তুড়ানী খায়॥

লালন যেহেতু এসব সন্তদের অনুসারী ছিলেন তাই তার মনোজগতও তৈরি হয়ে ছিলো এঁদের চিন্তা-দর্শন ঘিরে।

পূর্বোক্ত সন্তগণ একটা ভেদাভেদহীন সমাজ ব্যবস্থা আকাক্সক্ষা করেছিলেন। তারা তাদের সৃজনকর্মে দেখাবার চেষ্টা করেছেন যতদিন সমাজে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান থাকবে ততদিন সত্যিকারের মানবসমাজ প্রতিষ্ঠিত হওয়া সম্ভব নয়। ভারতবর্ষে এ পর্যন্ত যত দাঙ্গা হয়েছে এবং সেসব দাঙ্গায় যত মানুষ মরেছে তার সবগুলোর পেছনেই ছিল ধর্মীয় বিদ্বেষ। দাঙ্গা সংঘটনের অনেকগুলো কারণ থাকে। অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক কারণের চেয়েও ধর্মীয় কারণটাই তাতে বড় হয়ে দেখা দেয়। ১৮০৬ খ্রিস্টাব্দে উত্তর প্রদেশের আজমগড় জেলার মদনাথ ভঞ্জন বা মউ নামক ছোট শহরে হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গা হয়। সেই দাঙ্গায় বেশ ক’জন হতাহত হয়। সেই দাঙ্গার কারণ ছিল গো-হত্যা (কোরবানি)। ১৮০৯ খ্রিস্টাব্দে বারানসীর লাঠ ভৈরবের পার্শ্ববর্তী ইমামবাড়ার সম্প্রসারণ নিয়ে এক গুরুতর দাঙ্গা হয় এবং ২৮০২৯ জনের মৃত্যু হয়। আহত হয় ৭০ জনের মতো। ১৮২০ সালে কলকাতায় যে ছোটখাটো দাঙ্গা ঘটে সমাচার দর্পণের ২মে অক্টোবরের প্রতিবেদনে তার মর্মান্তিক বিবরণ আছে। বর্তমানে নির্বিচারে রোহিঙ্গা নিধনও সাম্প্রদায়িক সমস্যার বিষময় ফল।

লালন তাঁর সমকালে অনেক রকম ভ-ামি দেখেছেন। দেখেছেন সোনার চেয়ে পিতলের কদর হতে। যারা সুবিধাবাদী দুর্জন তাদের চাপে সুজনকে কোণঠাসা হয়ে থাকতে। এসব বিষয়ে তিনি তাঁর সঙ্গীতে দারুণ সোচ্চার ছিলেন। তাই মিথ্যা, ভ-ামি, প্রতারণা ছেড়ে মানুষকে তিনি সত্য-সুপথে আসার আহ্বান জানিয়েছেন, সত্য বল্ সুপথে চল্  ওরে আমার মন / সত্য সুপথ না চিনিলে পাবে না মানুষের দরশন॥ /… / পরের দ্রব্য পরের নারী / হরণ করো না/ পারে যেতে পারবে না,  যতবার করিবে হরণ / (তোমার) ততবার হবে জনম॥/

ভালো-মন্দ, সত্য-মিথ্যা, সৎ-অসৎ নিয়েই এই মানবসমাজ। এখানে পুণ্যাত্মা যেমন আছে তেমনি আছে পাপাত্মার দৌরাত্ম্য। হিসাব-নিকাশ করে চলাফেরা না করলে এখানে প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা ষোলো আনা। শঠের ছোবল থেকে মানুষকে রক্ষা করার জন্য লালন তাই সতর্ক বাণী প্রচার করেছেন এই ভাবে,

কারো কথা কেউ শোনে না / শঠে শঠে সকল কারখানা, / সমঝে ভবে না চলিলে / বোম্বাটের হাতে পড়বা ভাই।

লালন শাহ ছিলেন কলিকালের মানুষে। শাস্ত্রে কলিকাল সম্পর্কে অনেক নেতিবাচক কথা বলা হয়েছে। কলিকালে মানী লোকের মান থাকবে না, দামি জিনিস মূল্যহীন হবে আর মূল্যহীন জিনিস দামি জিনিসের স্থান দখল করবে। তাই তিনি আক্ষেপ করে বলেছেনÑ সোনার মান গেল রে ভাই / বেঙ্গা এক পিতলের কাছে / শাল পটকের ফ্যার / কুষ্ঠার বনাত দেশ জুড়েছে। / বাজিল কলির আরতি / প্যাঁচ পলো ভাই মানীর প্রতি, / ময়ূরের নৃত্য দেখে / পেঁচায় পেখম ধরেছে। / শালগ্রামকে করিয়ে খাড়া / ভূতে করে ঘন্টা নাড়া / কলির তো এমনি দাড়া / স্থূল কাজে সব ভুল পড়েছে। / সবই কেনে পিতল দানা / জহরের মূল্য হলো না, / লালন কয় গেল জানা / চটকে জগৎ মেতেছে।

এই গানে যে সমাজচিত্র বর্ণিত সেটা লালনের কাক্সিক্ষত ছিল না। লালন বিষয়ক আলোচনায় লালনের সমাজবিষয়ক চিন্তাগুলো খুব কমই আলোচিত হয়েছে। লালন বাউলসম্রাট এ কথা যেমন ঠিক, তেমনি ঠিক তিনি একজন প্রাজ্ঞ সমাজবিশ্লেষক ও সামাজিক-অসঙ্গতি নির্দেশক। শুধু লালন সঙ্গীত শ্রবণ নয়, তাঁর সঙ্গীতের ভাব হৃদয়ে ধারণ করে ভেদাভেদহীন, অসাম্প্রদায়িক, মানবিক, প্রেমময় সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। এমন একটি সুন্দর মানবসমাজ যেদিন তৈরি হবে সেদিনই পূর্ণ হবে লালন ফকিরের অপূর্ণ আশা।

১৫ অক্টোবর, ২০১৭

লেখক : বাউল গবেষক

syedjahidhasan29@gmail.com

সময়ের কথায় প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

মন্তব্য করুন





টুইটারে আমরা

পূর্বের সংখ্যা